কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ ১২:১১ PM
কন্টেন্ট: পাতা
বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্থানীয় বিচার ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এর আওতায় বাংলাদেশ সরকার, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশ - এর যৌথ অর্থায়নে সিএইচটি (পার্বত্য চট্টগ্রাম) এলাকা ব্যতীত সারাদেশে “বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)” প্রকল্প স্থানীয় সরকার বিভাগ এর তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বাংলাদেশের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথকে সহজ করার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম চলমান আছে। এই প্রকল্পের সুনির্দিষ্ট একটি উদ্দেশ্য হলো স্থানীয়ভাবে সহজে, কম খরচে, দ্রুত এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিরোধ নিষ্পত্তি করা এবং অন্যায়ের প্রতিকার লাভের জন্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বিশেষত নারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
কুমিল্লা জেলার ১৭টি উপজেলার ১৯৩টি ইউনিয়ন পরিষদে “বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)” প্রকল্পটি বেসরকারি সংস্থা ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন (ইপসা) এর সহযোগীতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন (ইপসা) ২০২২-২০২৭ ইং মেয়াদে “বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)” শীর্ষক প্রকল্পটি চট্টগ্রাম বিভাগের ৮টি, সিলেট বিভাগের ৪টি ও ঢাকা বিভাগের ৩টি জেলায় (মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ) দাতা সংস্থার আর্থিক ও কারিগরী সহায়তায় ইউএনডিপি এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ অনুযায়ি অনাধিক ৩০০,০০০/- (তিন লাখ) টাকা মূল্যমানের ছোটখাটো ফৌজদারী ও দেওয়ানী মামলা ১০ টাকা ও ২০ টাকা ফিস প্রদান করে স্বপ্ল সময়ে দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়ে থাকে। এখানে আবেদনকারী ও প্রতিবাদী নিজের কথা নিজেই বলতে পারেন। আবেদনকারী ও প্রতিবাদীর মনোনিত সদস্যদের নিয়েই গ্রাম আদালত গঠিত হয়। গ্রাম আদালতে কোন আইনজীবী নিয়োগের বিধান নাই।